নতুন বিকাশ একাউন্ট খোলার সঠিক নিয়ম ২০২৬
বিকাশ একাউন্ট খোলার সঠিক নিয়ম ২০২৬
বিকাশ বাংলাদেশের জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেম, যা ব্যবহার করে বাংলাদেশের শহর থেকে গ্ৰামীণ এলাকায় এবং আধুনিক অঞ্চল থেকে প্রত্যান্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে খুব সহজেই কয়েক মিনিট এর মধ্যে অনলাইনে মোবাইল এর বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়।আমাদের মূল্যবান টাকা গুলো বাংলাদেশেল এক শহর থেকে অন্য শহরে বা এক গ্ৰাম থেকে অন্য গ্ৰামে টাকা পাঠাতে ও গ্ৰহণ করতে হলে দুই জন ব্যক্তির নিকট একটি করে সচল বা ভেরিফাইড বিকাশ একাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ, যিনি বিকাশ এর মাধ্যমে টাকা পাঠাবেন এবং যিনি টাকা গ্ৰহণ করবেন, উভয়েরই একটি করে বিকাশ একাউন্ট থাকতেই হবে।
চলুন, একটি ব্যাক্তিগত (personal) বিকাশ একাউন্ট তৈরি করার প্রসেস জানার চেষ্টা করি, যা অনুসরণ করে আপনি খুব সহজেই বিকাশ অ্যাপ এ একটি পারফেক্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন। আজকের এই প্রসেসটি NID card ব্যবহার করে বিকাশ একাউন্ট খোলার ধাপ ছবি সহ দেখানো হলো, ২০২৬ সালে বিকাশ অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
বিকাশ একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে? (পূর্ব প্রস্তুতি সহ)
বিকাশ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য কিছু জিনিস অবশ্যই লাগবে, যেমন:
- ১. মোবাইল নাম্বার (একেবারে নতুন যেটাতে ইতিমধ্যে কোন বিকাশ একাউন্ট খোলা নেই)
- ২. NID কার্ড লাগবে (যে আইডি কার্ড এ ইতিমধ্যে কোনো বিকাশ একাউন্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়নি)
- ৩. আপনি বা যার জন্য বিকাশ রেজিস্ট্রেশন করবেন তাঁকে উপস্থিত হতে হবে।
- ৪. আলো বাতাস পূর্ণ জায়গায় বসুন।
- ৫. ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। ভালো internet speed যুক্ত জায়গায় বসুন।
- ৭. মোবাইলে notification রিসিভ হয় এমন ফোন ব্যবহার করুন। ফোনে মেসেজ আসে না এমন ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। সচল, ভালো মোবাইল ফোন ব্যবহার করুন।
যেভাবে বিকাশ একাউন্ট খুলবেন বা তৈরি করবেন (ছবি সহ ধাপ সমূহ)।
Advanced ধাপ সমূহ
- ১. গুগল প্লে স্টোর থেকে বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করুন। বিকাশ অ্যাপ এখানে
- ২. তিনবার Allow বাটনে ক্লিক করুন, যেমন: bkash notification allow, bkash phone and calls allow, এবং bkash contacts allow। এছাড়াও, location allow দিতে while using the app অপশনে ক্লিক করুন।
- ৩. লগইন/রেজিস্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করুন।
- ৪. এরপর, মোবাইল নাম্বার দিন, এবং নিচে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
- ৫. সিম অপারেটর সিলেক্ট করুন। আপনার মোবাইল নাম্বার কোন সিম অপারেটর এর ভিতর পড়ছে তা দেখুন এবং Airtel, robi, grammen, banglalink, ইত্যাদির মধ্যে সিম সিলেক্ট করুন।
- ৬. আইডির ধরণ নির্বাচন এর ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র অপশনে ক্লিক করুন।
- ৭. এরপর, আপনার মোবাইলে যাচাইকরণ কোড আসবে “Allow” বাটনে ক্লিক করুন।
- ৮. এরপর, “আমার সম্মতি আছে” বাটনে ক্লিক করুন।
- ৯. এরপর, তিনটি সহজ তথ্য পূরণ করতে হবে, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ১০. ১ নম্বর হল “while using the app” অপশনে ক্লিক করুন। আপনার বা যার জন্য বিকাশ রেজিস্ট্রেশন করছেন তার NID card এর সামনের এবং পেছনের ছবি তুলুন।
- ১১. এরপর, NID এর তথ্য ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন। প্রয়োজনে সঠিকভাবে লিখুন।
- ১২. ২ নম্বর হল আপনার সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য দিন, এখানে আপনি আপনার লিঙ্গ, আয়ের উৎস, আনুমানিক মাসিক আয়, এবং পেশা দিন। শেষে, পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
- ১৩. ৩ নম্বর হল নিজের চেহারার ছবি তুলুন অথবা যার জন্য বিকাশ রেজিস্ট্রেশন করছেন তার চেহারার ছবি তুলুন।
- ১৪. আপনি ইতিমধ্যেই ১ নম্বর, ২ নম্বর, এবং ৩ নম্বর তথ্য সাবমিট সম্পন্ন করেছেন। এখন, “নিশ্চিত করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
- ১৫. এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, এবং নিচে “নতুন পিন সেট করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
- ১৬. এরপর, বিকাশ অ্যাপ এ লগইন করতে পুনরায় একই নাম্বার দিন এবং নিচের “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।
- ১৭. আপনার মোবাইলে একটি কোড আসবে, এবং “allow” বাটনে ক্লিক করুন।
- ১৮. এরপর, ৫ সংখ্যার নতুন পিন সেট করুন। আপনার মনে থাকে এমন পাঁচটি সংখ্যা দিন এবং খাতায় নোট করুন। উপরে এবং নিচে দুই জায়গাতেই একই সংখ্যার পিন দিন এবং নিচে “পিন কনফর্ম করুন” বাটনে ক্লিক করুন।
- ১৯. নতুন পিন দিয়ে বিকাশ একাউন্ট লগইন করুন। ৫ সংখ্যার পিন দিন এবং নিচে “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।
- ২০. আপনার নাম সেট করুন। আপনার নামের প্রথম অংশ এবং শেষ অংশ লিখুন। যেমন: প্রথম অংশ হল মোঃ সামিউল, এবং শেষ অংশ হল আলী এবং নিচের “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।
- ২১. এবার, আপনার প্রোফাইল ছবি যুক্ত করুন এবং শুরু করুন বাটনে ক্লিক করুন।
- ২২. শেষে, সফলতার সাথে আপনি আপনার বিকাশ হোমপেজ দেখতে পাবেন ।
NID card দিয়ে ছবি সহ একটি সফল নতুন বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম দেখানো হল, ২০২৬ সালে এই নিয়য়ে বিকাশ অ্যাপ এ রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
১. Play store থেকে বিকাশ অ্যাপ install করুন। নিচে বিকাশ অ্যাপ দেখানো হলো।
২. Bkash notification - Allow এবং don't allow এর মধ্যে Allow অপশনে ক্লিক করুন।
৩. Bkash manage phone call - Allow এবং don't allow এর মধ্যে Allow অপশনে ক্লিক করুন।
৪. Bkash contacts access - Allow এবং don't allow এর মধ্যে Allow অপশনে ক্লিক করুন।
৫. Bkash device location access - while using the app, only this time, এবং don't allow এর মধ্যে "while using the app" অপশনে ক্লিক করুন।
৬. কেন বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করতে চান । এখানে বিভিন্ন অপশন আছে, এর মধ্যে লগ ইন/ রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করুন।
৭. আপনি যে মোবাইল নাম্বার এ বিকাশ খুলতে চাচ্ছেন, সেই নাম্বার দিন এবং নিচের পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
৮. রবি, টেলিটক, সিটিসেল, গ্ৰামীণ, বাংলালিংক সহ বিভিন্ন সিম অপারেটর এর মধ্যে আপনার মোবাইল নাম্বার এর সিম কোন অপারেটর এর মধ্যে পড়ছে তা সিলেক্ট করুন। 017 এবং 013 দিয়ে শুরু হলে গ্ৰামীণ, 019 দিয়ে শুরু হলে বাংলালিংক।
৯. NID card ব্যবহার এখন আমরা বিকাশ অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন করব, তাই জাতীয় পরিচয়পত্র সিলেক্ট করুন।
১০. আপনার মোবাইলে একটি বিকাশ ওটিপি কোড আসবে। এখানে Allow অপশনে ক্লিক করুন।
১১. আমার সম্মতি আছে বাটনে ক্লিক করুন।
১২. প্রয়োজনীয় তিন তথ্য সাবমিট করুন। পরবর্তী ধাপে যেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
১৩. বিকাশ কে আপনার ক্যামেরা এবং ভিডিও রেকর্ড এর জন্য পারমিশন দিন। While using the app বাটনে ক্লিক করুন। এখানে আপনার NID card এর সামনের এবং পেছনের ছবি তুলুন।
১৪. Nid card এর তথ্য গুলো দেখুন এবং কোন কিছু পরিবর্তন করতে চাইলে পরিবর্তন করুন এবং শেষে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
১৫. আপনার সম্পর্কে তথ্য দিন, যেমন: আপনি ছেলে না মেয়ে, আয়ের উৎস কি, আনুমানিক মাসিক আয় কত, এবং পেশা কি করছেন। শেষে, পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
১৬. নিজের চেহারার ছবি তুলুন। ছবিতে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
১৭. এখানে নিশ্চিত করুন বাটনে ক্লিক করুন।
১৮. এখানে কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এবং নতুন পিন সেট করুন বাটনে ক্লিক করুন।
১৯. এখানে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
২০. বিকাশ ওটিপি কোড allow বাটনে ক্লিক করুন।
২১. ৫ সংখ্যার পিন সেট করুন। উপরে এবং নিচে পিন দিন, যেমন: ২৫৬৪৫, ৫৭৮০৯ ইত্যাদি। পিন দেওয়া হয়ে গেলে পিন কনফর্ম করুন বাটনে ক্লিক করুন।
২২. আপনি ইতিমধ্যেই যে বিকাশ সেট করেছেন, সেই একই পিন, বিকাশ পিন নম্বর দিন সেকশন এ ক্লিক করে পিন দিন। শেষে, পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
২৩. বিকাশ অ্যাপ এ আপনার নাম দেখাবে, তাই নামের প্রথম অংশ, এবং শেষ অংশ লিখুন। যেমন: প্রথম অংশে মোঃ সামিউল এবং শেষে আলী লিখুন। শেষে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
২৪. এখানে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ছডি যুক্ত করুন। পেন্সিল আইকন এ ক্লিক করে ছবি সেট করুন।
২৫. নতুন বিকাশ একাউন্ট খোলা done।
বিকাশ একাউন্ট লগইন করার নিয়ম।
বিকাশ একাউন্ট লগইন করার জন্য আপনার বিকাশ মোবাইল নাম্বার এবং ৫ সংখ্যার পিন জানা থাকলেই বিকাশ অ্যাপে লগইন করা যায়। নিচে ধাপে ধাপে নিয়ম দেখানো হলো।
১. বিকাশ অ্যাপে যান এবং মোবাইল নাম্বার এবং ৫ সংখ্যার পিন দিন।
২. OTP code রিসিভ করুন, বেশ আপনি বিকাশ এ লগইন হয়ে যাবেন।
বিকাশ একাউন্ট লগআউট করার নিয়ম।
বিকাশ একাউন্ট লগআউট করার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার বিকাশ অ্যাপে লগইন থাকতে হবে এবং বিকাশ ড্রপ ডাউন মেনু থেকে লগআউট সেকশন এ ক্লিক করলেই আপনি বিকাশ অ্যাপ থেকে পুরোপুরি বাইরে চলে আসবে। পুনরায় প্রবেশ করতে চাইলে বিকাশ একাউন্ট লগইন করুন। ধাপে ধাপে বিকাশ লগআউট করুন নিয়ম অনুযায়ী,
১. বিকাশের হোমপেজ থেকে বিকাশ মেনু বারে যান। মেনুবার বিকাশের হোমপেজের ডান কর্নারে আছে।
২. মেনু বার এ ক্লিক করার পর scroll করে নিচে আসুন এবং লগ আউট সেকশন খুঁজে বের করুন এবং লগ আউট সেকশন এ ক্লিক করুন। বেশ আপনি বিকাশ থেকে লগআউট হয়েছেন।
বিকাশ পার্সোনাল বা ব্যক্তিগত একাউন্ট ব্যবহার করে কি কি করা যাবে এবং কি কি করা যাবে না?
- ১. সকল ধরনের বিকাশ পেমেন্ট রিসিভ করা যাবে এবং টাকা পাঠানো যাবে।
- ২. যেকোনো সময় টাকা cash out করা যায় এবং ফিজিক্যাল টাকা পাওয়া যায়।
- ৩. ব্যাংক টু বিকাশ, বিকাশ টু ব্যাংক, এবং কার্ড টু বিকাশ এ টাকা রিসিভ করা যায় এবং পাঠানো যায়।
- ৪. বিদেশে কর্মরত প্রবাসীদের বেতন গ্ৰহণ করা যায়। অর্থাৎ, বিকাশ এর মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো যায়।
- ৫. Payoneer থেকে সরাসরি বিকাশ এ টাকা নিয়ে আসা যায়।
- ৬. ফ্রিতে সেন্ডমানি করার সুযোগ তো আছেই।
- ৭. এছাড়াও, বিভিন্ন সিম অপারেটর এ রিচার্জ নেওয়া যায়, এবং বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, বিভিন্ন অ্যাপ সাবস্ক্রিপশন, সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ডোনেট বা টাকা দান করা যায়।
- ৮. যদি বলেন বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট ব্যবহার করে কি কি যাবে না, বিকাশ একাউন্ট কে ব্যবসায়িক (Commercial) কাজে ব্যবহার করা যাবে না, যেমন: Payment Gateway হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, Bulk বা Mass Payment করা যাবে না, এবং সীমার বাইরে সেন্ড মানি ও ক্যাশ আউট করা যাবে না।
FAQs (frequently ask questions)
নিচে মোট তিনটি প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হল:
১. একটি মোবাইল নাম্বার এ কয়টি বিকাশ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা যায়?
একটি মোবাইল নাম্বার এ একটি বিকাশ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা যায়। বাংলালিংক, রবি, টেলিটক, সিটিসেল, গ্ৰামীণ সিম অপারেটর এর মধ্যে একটি সিম ব্যবহার করে একটি নতুন বিকাশ গ্ৰাহক একাউন্ট তৈরি করা যায়।
২. পার্সোনাল বিকাশ একাউন্ট দিয়ে কি ব্যবসা করা যায়?
না, বিকাশ ব্যবহার করে ব্যবসা করতে চাইলে বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট তৈরি করতে হবে। পার্সোনাল বিকাশ একাউন্ট শুধু লেনদেন এবং বিভিন্ন ধরনের সেবার পাওয়ার জন্য একটি বিশেষ একাউন্ট।
৩. বিকাশ এ একটি nid card কতবার ব্যবহার করা যায়?
bKash এ একটি NID (National ID Card) সাধারণত ১টি ব্যক্তিগত (Personal) অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ১বারই ব্যবহার করা যায়। তবে দুটি উপায়ে একটি NID card ব্যবহার করা যায়।
১. প্রথমত, যদি আগের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়, তাহলে সেই NID দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা যেতে পারে, তবে এটি যাচাই–বাছাই সাপেক্ষে হয়।
২. দ্বিতীয়ত, একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থাকা সত্ত্বেও একই NID দিয়ে কর্পোরেট বা মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যায়, কারণ এগুলো ভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট হিসেবে গণ্য হয়।
উপসংহার
ভেরিফাইড বিকাশ একাউন্ট সকল বৈধ কাজে ব্যবহার করা যাবে। নিজের NID দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা এবং অন্য কে নিজের NID ব্যবহার করে বিকাশ account খুলতে না দেওয়া। সর্বোপরি, বৈধ সকল কাজে টাকা লেনদেন এর জন্য ব্যবহার করা যাবে বিকাশ।
আরো পড়ুন,





























অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url