ফ্রিল্যান্সিং কী? জনপ্রিয় ইনকাম পদ্ধতি

ফ্রিল্যান্সিং কী? জনপ্রিয় ইনকাম পদ্ধতি


ফ্রিল্যান্সিং, সবচেয়ে আগ্ৰহপূর্ণ অনলাইন ইনকাম গুলোর মধ্যে একটি। বর্তমানে এটা এতোটাই জনপ্রিয় যে অনলাইন ইনকাম বলতে অনেক মানুষ ফ্রিল্যান্সিং কে বুঝে থাকে। তবে, এটা দোষের কিছু নয়, একটি পদ্ধতি বা কাজের প্রতি মানুষের আগ্ৰহ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। 
Freelancing বা ফ্রিল্যান্সিং কি ছবি

কিন্তু আপনি জানেন কি ফ্রিল্যান্সিং আসলে কি, এটা ব্যবসা না চাকরি? আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ধারণা নিতে চান, তাহলে চলুন ফ্রিল্যান্সিং এর সংজ্ঞা জেনে নিই। 

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং এর ইতিহাস? 

ফ্রিল্যান্সিং অর্থ মুক্ত পেশা, চুক্তিভিত্তিক কাজ। এটা কে ইংরেজিতে বলে Freelancing, ফ্রিল্যান্সিং বা freelance শব্দটি এসেছে মধ্যযুগীয় ইংরেজি শব্দ “Free Lance” থেকে। সেই সময় যারা যুদ্ধ করত তাদের অস্ত্র ছিল “lance” । সেই সময়ের যোদ্ধারা lance দিয়ে যুদ্ধ করত চুক্তিভিত্তিক, সেখানে তারা রাজ্যের স্থায়ী যোদ্ধা ছিল না। তারা কাজ করত স্বাধীনভাবে এবং এই যুদ্ধ করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ চার্জ করত। আর এখান থেকেই ফ্রিল্যান্সিং শব্দটি উৎপত্তি ঘটেছে। 

তাহলে freelancing কি একটি যুদ্ধাস্ত্র, না ফ্রিল্যান্সিং বা freelancing যুদ্ধ এর অস্ত্র নয়, বরং Upwork, Fiverr, Freelancer.com, PeoplePerHour, Guru, Toptal ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো প্রতিযোগিতা মূলক ফ্রিল্যান্সারদের ভীরে ক্লাইন্ট খুঁজে কাজ করাটা একটি বড় যুদ্ধ, অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং মাঠ বিহীন যুদ্ধ ক্ষেত্র এবং এখানে যোদ্ধা হল একজন ফ্রিল্যান্সার। 

আপনি জেনে অবাক হবেন যে, বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে এবং এই অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো এতোই প্রতিযোগিতা পূর্ণ হয়েছে যে, নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কাজ পাওয়া দুঃসাধ্য হয়ে দাড়িয়েছে। 

আধুনিক অর্থে একজন ফ্রিল্যান্সার এর দক্ষতা মূলত তার কাছে একটি অস্ত্র, যেখানে একজন ক্লায়েন্ট হল নিয়োগকারী। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো কাজ গুলো কে পাওয়া একটি যুদ্ধের মত, এবং মধ্যযুগীয় সৈনিকদের মত পারিশ্রমিক হল একটি পুরস্কার, যা একজন ফ্রিল্যান্সার ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম হিসেবে নেয়। 

ফ্রিল্যান্সিং হলো এমন একটি অনলাইন কাজের পদ্ধতি, যেখানে একজন ব্যক্তি বা ফ্রিল্যান্সার Upwork, fivrr মার্কেট প্লেস গুলো কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির স্থায়ী কর্মচারী না হয়ে স্বাধীনভাবে নিজের দক্ষতা বা সেবা বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিকে প্রদান করে পারিশ্রমিক গ্রহণ করে। এখানে পারিশ্রমিক এর নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ নেই, ফ্রিল্যান্সিং মূলত স্বাধীন কাজ যোগ আনলিমিটেড ইনকাম। 

প্রতিটি বৈধ অনলাইন কাজ গুলো মূলত ফ্রিল্যান্সিং কাজ এর উদাহরণ, অর্থাৎ অনলাইনে যে সকল কাজ করা হয় সকল কাজই ফ্রিল্যান্সিং কাজ। তবে প্রার্থক্য হল যখন একটি অনলাইন কাজের দক্ষতা অর্জন করে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস থেকে বা স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে ক্লাইন্টের মাধ্যমে কোন কাজ সম্পন্ন হয় সেটাই মূলত ফ্রিল্যান্সিং কাজ, উদাহরণ যখন আপনি কন্টেন্ট রাইটিং শিখে সেটা Upwork, fiverr ইত্যাদিতে গিগ সাবমিট করে বা প্রোপোজাল পাঠিয়ে ক্লাইন্টের থেকে কন্টেন্ট রাইটিং কাজ পান সেটাই মূলত ফ্রিল্যান্সিং কাজ। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। 

কিন্তু প্রশ্ন হল তাহলে ফ্রিল্যান্সিং কাজ নয় কোনটি? যখন আপনি কন্টেন্ট রাইটিং শিখে নিজে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে monetization এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করবে, তখন এই কাজ ফ্রিল্যান্সিং কাজ নয় বা তখন আপনাকে ফ্রিল্যান্সার বলা যাবে না। ওয়েবসাইট তৈরি করে monetization এর মাধ্যমে ইনকাম করে একজন ব্লগার, অর্থাৎ আপনি একজন ব্লগার। 

সংজ্ঞা অনুযায়ী, যখন কোন একজন ব্যক্তি অনলাইনে ডাইরেক্ট বা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে কোন অনলাইন কাজ সম্পন্ন করে এবং ক্লাইন্টের থেকে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক গ্ৰহণ করে তখন তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে, ফ্রিল্যান্সিং মূলত এক ধরনের ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার মাধ্যমে। যিনি ফ্রিল্যান্সিং করে তাকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয় এবং ফ্রিল্যান্সিং থেকে প্রাপ্ত ইনকাম কে ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম বলে। 

ফ্রিল্যান্সাররা মূলত স্বাধীন পেশাজীবী মানুষ, এরা কাজের উপর ভিত্তি করে অনলাইন ইনকাম বা আয় করে থাকে। ফ্রিল্যান্সারদের কোন অফিস বা বস থাকে না, ফলে তাদের কারো হুকুম, কোন কর্মঘন্টা, এবং কোন নির্দিষ্ট মাসিক ইনকাম এর উপর নির্ভর করতে হয় না।‌ একজন ফ্রিল্যান্সার ক্লাইন্টের প্রজেক্ট বা কাজ শেষ হলেই টাকা পেয়ে যান। একজন ফ্রিল্যান্সার এর দেশি ও বিদেশি উভয় ক্লাইন্ট কে Handle করতে হয়। একজন ফ্রিল্যান্সার কে দেশি ক্লাইন্টজের কাজ থেকে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় বা ব্যাংকিং সিস্টেমে পারিশ্রমিক নিতে হয় এবং বিদেশি ক্লাইন্টদের থেকে Payoneer, wise, Bank এর মাধ্যমে ডলার বা অন্যান্য কারেন্সিতে অর্থ উপার্জন করে থাকে। 

মনে রাখা উচিত যে, ফ্রিল্যান্সাররা মোবাইল, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে, তবে বর্তমানে একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার এর ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকা বাধ্যতামূলক। একজন ফ্রিল্যান্সার ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে ও ফ্রিল্যান্সিং apps গুলো থেকে কাজ নেয় এবং কাজ জমা দেয়। 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো হল: Upwork, Fiverr, Freelancer, Toptal, Guru.com, PeoplePerHour, 99designs, DesignCrowd, Envato, SEOClerks, SimplyHired, Truelancer, TaskShift, Speedlancer, Kolabtree, Catalant, WorkMarket, Behance, ProBlogger, Scripted, Behance Jobs, Billancer, Kajkey, Workana, Hubstaff Talent, FlexJobs, Outsourcely, LinkedIn ProFinder, RemoteOK, Codeable, SolidGigs, Designhill, Freelance.com, Freelancermap, AngelList, Hubstaff, We Work Remotely, Dribbble, Bark, Expert360, Clarity, Nexxt, Jora, UpStack, ServiceScape, CrowdSource, Textbroker, TaskRabbit, Gigster, RapidWorkers. এছাড়াও আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং অ্যাপস খুঁজে থাকেন, তাহলে উপরের লিস্ট থেকে যেকোন নাম নিন এবং Google play store বা app store এ গিয়ে সার্চ করুন।‌

আপনার স্বাপ্ন যদি হয় ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করা তাহলে আপনাকে দুটি উপায়ে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন, ফ্রিল্যান্সিং অনলাইন এবং অফলাইন দুভাবেই করতে পারেন, অনলাইন কোর্স যেখানে থেকে শিখতে পারেন, 10 minute school, eShikhon.com, GoFreelancer.co, dreamerit ইত্যাদি। 

ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয় কাজসমূহ হল Digital Marketing, Video Editing, Graphic Design, ai automation, Web Development, App Development, Virtual Assistant, Data Entry ইত্যাদি। মনে রাখা উচিত যে, সকল অনলাইন কাজই মূলত ফ্রিল্যান্সিং কাজ, অর্থাৎ আপনি যেকোন অনলাইন কাজ শিখে যখন ডাইরেক্ট বা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে কাজ করবেন সেটাই ফ্রিল্যান্সিং কাজ। 

ফ্রিল্যান্সিং থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন নতুন, মাঝারি, এবং এক্সপার্ট পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সাররা, তবে একজন ফ্রিল্যান্সার বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের আয় নির্ভর করে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, ক্লাইন্টের দেশ, সময় ইত্যাদির উপর। বাংলাদেশের নতুন ফ্রিল্যান্সাররা ২০০০-৩০,০০০ টাকা এবং মাঝারি বা এক্সপার্ট ফ্রিল্যান্সাররা ৩০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে। 

কিন্তু প্রশ্ন হল কারা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে? আপনি জেনে খুশি হবেন প্রত্যেক জ্ঞান ও দক্ষতা সম্পন্ন মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করতে পারে।‌ অর্থাৎ, প্রতিটি প্রাপ্ত নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী (পার্ট টাইম), বেকার ছেলে অথবা মেয়ে, গৃহিণী, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, এবং অনলাইন উদ্যোক্তা। 


ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা

ফ্রিল্যান্সিং কেন করা উচিত এমন প্রশ্নের উত্তর পেতে ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা গুলো পড়তে হবে, যা আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং এর প্রতি বাড়তি আগ্ৰহ বাড়াতে সাহায্য করবে। 

1. ঘরে বসে কাজ করা যায় - অফিসে যেতে হবে না, বসের হুকুম ও মানতে হবে না। গাড়িতে বসে অসহ্য জ্যাম আর পেরেশানি ভোগ করতে হবে না। Relax মুডে চেয়ার এর উপর বসে এবং টেবিল এর উপরে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার রেখে কাজ করতে পারবেন। 

2. নিজের সময় নিজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় - প্রতিদিন সকাল ৮টায় বা নির্দিষ্ট সময় কাজ করতে হবে না। আপনার মন মত কাজ করে ইনকাম করার সুযোগ। ২৪ ঘন্টার মধ্যে যে কোন সময় কাজ সম্পন্ন করে ডেলিভারি দেওয়া যায়। আপনি চাইলেই ছুটি ও নিতে পারেন এবং ঘুরতে যেতে পারেন। 

3. একাধিক ক্লায়েন্টের সাথে কাজের সুযোগ - ঘরে বসেই কাজ করতে পারবেন দেশি ও বিদেশি ক্লাইন্টদের থেকে। আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকলে হাজার হাজার ক্লাইন্ট আপনাকে কাজ দিতে বাধ্য। 

4. বৈদেশিক মুদ্রায় আয় - প্রবাসীরা হাজার হাজার রেমিট্যান্স পাঠায় এবং দেশের অর্থনীতি কে মজবুত করে, আপনি ও ফ্রিল্যান্সিং করে ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারেন এবং প্রবাসীদের মত আপনি ও একজন রেমিট্যান্স ফাইটার হতে পারে। 

5. কোনো বয়স সীমা নেই - আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আছে, তাহলেই আপনি আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কে বিক্রি করে ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম করতে পারেন, আপনার বয়স কত তা ম্যাটার করে না‌। বাংলাদেশে এমন ও ফ্রিল্যান্সার আছে যাদের বয়স মাত্র ১৪ বছর, অথচ সেই মাসে লাখ টাকা আয় করছে। আপনার বয়স কত? 

6. চাকরির মতো ছাঁটাইয়ের ভয় নেই - Ai বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসার পর অনেক কোম্পানি তাদের কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেয়, যা চাকরিজীবীদের জন্য একটা বড় হুমকি। হুমকি থেকে বাঁচতে হলে ফ্রিল্যান্সিং করতে হবে দিনে- রাতে 

৭. একাধিক কাজ করার সুযোগ - একজন চাকরিজীবী যদি অফিস সহকারী হিসেবে জয়েন করে, তাহলে তার কাজ নির্দিষ্ট এখান থেকে খুব অল্প পরিমাণ টাকা উপার্জন করতে পারবে। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এ হাজার রকমের দক্ষতা থাকলে হাজার রকম কাজ করে ইনকাম করা যায় এবং লাখ লাখ টাকা ইনকাম করা যায়। 

ফ্রিল্যান্সিং এর অসুবিধা

1. শুরুতে কাজ পাওয়া কঠিন - আপনি যদি নতুন হন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া একটু কঠিন, তবে সময় বাড়ার সাথে সাথেই কাজ পাওয়া যায়। 

2. আয় স্থায়ী নয় - একটি শপিং মলে আপনি যদি সেলস ম্যান এর কাজ করেন, তাহলে আপনার মাসিক ইনকাম যদি ১০,০০০ টাকা হলে প্রতি মাসে দশ হাজার টাকাই পাবেন। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এ প্রথম মাসে দশ হাজার টাকা পাওয়ার পর পরের মাসে আপনি শুধু ৫০০০ টাকা পেতে পারেন। 

3. নিজেই সবকিছু সামলাতে হয় - ব্যবসা বা চাকরিতে সবাই মিলে কাজ করা যায়, কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কাজে প্রজেক্ট গুলো একাই করতে হবে। 

4. সময় ব্যবস্থাপনায় সমস্যা - রাত-দিন ২৪ ঘন্টা অনলাইনে একটিভ থাকতে হবে এবং দ্রুততার সাথে কাজ ডেলিভারি দিতে হবে। 

5. স্ক্যামের ঝুঁকি - ধরুন, আপনি একজন ডিজাইনার এবং ক্লাইন্ট এলো এবং আপনাকে একটি logo ডিজাইন এর কাজ দিলো। আপনি কাজটি শেষ করে ক্লাইন্ট কে ডেলিভারি দিলেন। এরপর, ক্লাইন্টের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে আর যোগাযোগ করা যায় না। এটা একটি বাড়তি ঝুঁকি ফ্রিল্যান্সিং কাজে। 


6. কোনো স্থায়ী বোনাস বা ছুটি নেই - ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলো মূলত স্বাধীন কাজ এবং কোনো অফিস বা বস না থাকাই বোনাস এর সুযোগ নেই বা ছুটি পাওয়া যায় না। 

উপসংহার 

ফ্রিল্যান্সিং কাজ খুবই সহজ এবং ফ্রিল্যান্সিং সঠিকভাবে লিখলেই ইনকাম করা যায়, তবে শর্ত একটাই একটি বিক্রয়যোগ্য দক্ষতা থাকতে হবে। কারণ, ফ্রিল্যান্সিং এ পন্য, যেমন: আলু, বেগুন, বা বিভিন্ন সবজি বিক্রি করা যায় না। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে দক্ষতা বিক্রি করে ফ্রিল্যান্সিং আয় করতে হয়। 

মনে রাখা উচিত ফ্রিল্যান্সিং কোনো চাকরি ডা ব্যবসা নয়, এটি মূলত কাজ করার পদ্ধতি। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার পথ, যেখানে সঠিকভাবে কাজ করলেই ইনকাম আসে, আর যদি সঠিকভাবে কাজ করতে না পারেন, তাহলে পুরো পরিশ্রম ব্যর্থ। 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url